লিভারের অসুখ এবং আপনার কর্তব্য

অধ্যাপক মবিন খান
চেয়ারম্যান, হেপাটোলজি বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আর এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সকল সৃষ্টি সমূহের মধ্যে মানব শরীর হলো সবচেয়ে আধুনিক এবং বিস্ময়কর সৃষ্টি। মানবদেহকে বিভিন্নভাবেই একটি বহুমাত্রিক ও পূর্ণাঙ্গ যন্ত্রের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। অনুকূল কিংবা প্রতিকূল, যে কোন পরিবেশেই চমৎকাভাবে খাপ খাইয়ে চলার মতো সক্ষমতা রয়েছে মানব শরীরের। সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যে মানবদেহকে প্রতিনিয়ত আমাদের জানা-অজানা বহুবিধ রাসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের যন্ত্রকে পরিচালিত করতে হয়।

আর এই প্রয়োজনীয় ও অত্যাবশ্যকীয় কাজসমূহ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্যে এবং সম¯ত কার্যাবলীর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্যে মানবদেহে রয়েছে কতগুলো যন্ত্রাংশ বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।

শরীরকে সচল রাখার জন্যে মানবদেহের যে অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হলোঃ ম¯িতষ্ক, হৃদপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী ও পরিপাকতন্ত্র। পরিপাকতন্ত্রের মধ্যে রয়েছে ঃ ক) পাকস্থলী এবং খ) অন্ত্র।

মানবদেহের এই যন্ত্রাংশগুলো সবাই নিজেদের সুনির্দিষ্ট কাজে ব্য¯ত থাকে এবং একে অপরের কাজের সমন্বয় সাধন করে।

যেমনঃ ম¯িতষ্ক, শরীরের সকল প্রকার স্নায়বিক ক্রিয়াসমূহ পরিচালনা করে। ফুসফুস বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং দূষিত বায়ু বের করে দেয়। হৃদপিন্ড, রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ করে। পরিপাকতন্ত্র  খাদ্য পরিপাক ও শোষনের পর তা লিভারে পাঠিয়ে দেয়। আর কিডনী, শরীরের বর্জ্য পদার্থ দূরীভূত করে।

এখন আসা যাক, লিভার কোথায় আছে এবং কি কাজ করে ঃ

লিভার মানব শরীরের সবচেয়ে বড় সলিড অর্গান (ঝড়ষরফ ঙৎমধহ)। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে লিভারের ওজন ১ থেকে ১.৫০ কেজি। লিভারকে আল্লাহপাক চড়বিৎ ঝঃধঃরড়হ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। যেমন ধরুন, বিদ্যুতের বাতি জ্বলতে হলে চড়বিৎ ঝঁঢ়ঢ়ষু  লাগে, তেমনি আমাদের সবকটি যন্ত্রপাতি চলাচলের জন্যে শক্তির উৎস্য হলো লিভার।

আমাদের ম¯িতষ্ক, হৃদপিন্ড, ফুস ফুস, কিডনী-ইত্যাদি সবকটি যন্ত্রের সুষ্ঠু কাজের ক্ষমতা নির্ভর করে লিভার থেকে নির্গত শক্তির উপর।

আমরা যা খাই, যেমন-শর্করা, আমিষ, চর্বিজাতীয় পদার্থ, খনিজদ্রব্য ইত্যাদি সবগুলো ভেঙ্গে একমাত্র লিভারই প্রক্রিয়াজাত: করে। প্রক্রিয়াজাত: খাদ্য উপাদানগুলোকে শরীরের জন্যে ব্যবহার উপযোগী করে, নিয়ন্ত্রিত পরিমানে লিভার বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে সরবরাহ করে। সেজন্যে, আল্লাহপাক লিভারকে একটি বিরাট মহাবিস্মযকর ঈযবসরপধষ ঋধপঃড়ৎু হিসাবে সৃষ্টি করে পেটের মধ্যে স্থাপন করেছেন।

মানুষের রক্তের মধ্যে ঈড়ধমঁষধঃরড়হ ঋধপঃড়ৎং নামে প্রবাহিত অসংখ্য ঈযবসরপধষং রয়েছে যা রক্তকে সঞ্চালিত রাখে। সবক’টি ঈড়ধমঁষধঃরড়হ ঋধপঃড়ৎং শুধুমাত্র লিভার থেকে তৈরী হয়। রক্তের সঞ্চালন এবং জমাট বাঁধার ক্ষমতা একমাত্র লিভারের কার্যক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।

অধিকন্তু, আমরা যা কিছু খাই, সেই খাবারগুলো পরিপাকতন্ত্রে প্রাথমিক উরমবংঃরড়হ বা হজমের জন্যে পিত্তরস অপরিহার্য। পিত্তরস ছাড়া খাদ্যবস্তু হজম সম্ভব নয়। এই পিত্তরস শুধুমাত্র লিভার কোষ তৈরী করে।
আপদকালীন ব্যবহারের জন্যে ভিটামিন-এ, ডি, ই, কে লিভারে জমা থাকে। তাছাড়া, প্রয়োজনীয ঞৎধপব ঊষবসবহঃ  যেমন : আয়রন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি লিভারে জমা থাকে। মোট কথা লিভার এতসব কাজ করে থাকে, যা বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যায়না এবং এমন সব কাজ করে যা আমরা জানিনা।

এখন আমাদের দেশে লিভারের কি কি অসুখ-বিসুখ হয়, সে সম্পর্কে খানিকটা আলোকপাত করতে চাই।

আমাদের দেশে লিভারের যে রোগগুলো হয়ে থাকে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ঃ (১) ভাইরাল হেপাটাইটিস (ঠরৎধষ ঐবঢ়ধঃরঃরং, যা জন্ডিস নামে পরিচিত), (২) লিভার সিরোসিস (খরাবৎ ঈরৎৎযড়ংরং), (৩) লিভার ক্যান্সার (খরাবৎ ঈধহপবৎ),  (৪) লিভারের ফোঁড়া (খরাবৎ অনংপবংং), (৫) পিত্তথলির বা পিত্তনালীর রোগ ( এধষষ ইষধফফবৎ উরংবধংব), (৬) লিভারের জন্মগত ও মেটাবলিক রোগ ( ঈড়হমবহরঃধষ অহফ গবঃধনড়ষরপ খরাবৎ উরংবধংব )  ইত্যাদি।

তবে এখানে উল্লেখযোগ্য যে, লিভারের অসুখের লক্ষণাদি সহসাই প্রকাশ পায়না কারণ, লিভারের এগারো ভাগের একভাগ অংশ যদি কারো ভালো থাকে, তবে লিভারের অসুখ প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। আল্লাহ তায়ালা এত বিশাল পরিমাণ  জবংবৎাব ঈধঢ়ধপরঃু দিয়ে লিভার তৈরী করেছেন যে, খুব ক্ষতিগ্রস্থ না হলে লিভারের রোগ বোঝা যায় না।

লিভারের অসুখ বিসুখের মধ্যে প্রধানতম  রোগ হলো ঠরৎধষ ঐবঢ়ধঃরঃরং যা সাধারণের মাঝে জন্ডিস নামে অধিক পরিচিত। আমাদের দেশে ঘরে ঘরে যে জন্ডিস দেখা যায় বা মহামারী আকারে যে জন্ডিস হয় তা একটি ভাইরাস পরিবার দ্বারা সংঘটিত হয়ে থাকে।

এই ভাইরাস পরিবারকে নামকরণ করা হয়েছে-হেপাটাইটিস-এ, বি, সি, ডি এবং ই। এই ভাইরাসগুলোকে মূলত: দু’ভাগে ভাগ করা যায় যেমন- (ক) পানি ও খাদ্য বাহিত ভাইরাস, যথাক্রমে হেপাটাইটিস ’এ’ ও হেপাটাইটিস ’ই’ এবং (খ) রক্ত কিংবা দূষত সিরিঞ্জ  সুই-এর মাধ্যমে বাহিত ভাইরাস, যথা- হেপাটাইটিস বি, সি ও ডি।

দূষিত পানি কিংবা খাদ্যবস্তু গ্রহণের ২-৬ সপ্তাহের মধ্যে হেপাটাইটিস এ এবং ই দ্বারা আক্রাšত হলে লক্ষণ দেখা যায়। অপর দিকে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগের লক্ষণ দুষিত রক্ত কিংবা সিরিঞ্জের মাধ্যমে রোগ সংক্রমিত হওয়ার ৪-৬ মাসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। রোগের লক্ষণ দিয়ে বোঝার উপায় নেই যে, কোন ভাইরাস দ্বারা জন্ডিস হয়েছে। জন্ডিসের অন্যতম লক্ষণ হলো-হঠাৎ করে বমিভাব, কিম্বা তীব্র বমি হওয়া। খাদ্য গ্রহণে অরুচি, অনীহা কিম্বা তীব্র দুর্বলতা, কখনও কখনও জ্বর জ্বর ভাব বা জ্বরের মাধ্যমেও রোগের সূত্রপাত হতে পারে।

এমতাবস্থায় প্রশ্ন হলো, আপনি করবেন কি? আমাদের দেশে জন্ডিসের চিকিৎসা মহা বিভ্রাটে ঘোরপাক খাচ্ছে। কারণ জন্ডিস হয়েছে শুনলে, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই এক একটা পরামর্শ প্রদান করেন। সাধারণত: বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

ভাইরাল হেপাটাইটিসের প্রথম চিকিৎসা হলো- (ক) শরীরের পরিপূর্ণ বিশ্রাম এবং (খ) স্বাভাবিক খাওযা দাওয়া চালিয়ে যাওয়া। এখানেই সমস্যা! কারণ সবাই মনে করেন, জন্ডিস হয়েছে-তাই এখন বেশী বেশী ফলের রস ও পানি খেতে হবে এবং হলুদ মরিচ খাওয়া যাবে না।

এটা সম্পূর্ণ  ভুল। আমি বলবো-জন্ডিস হলে রোগীকে হলুদ, মরিচ, তরি-তরকারী, মাছ-মাংস ইত্যাদি স্বাভাবিক খাবার খেতে  দিন। ফল, ডাবের পানি, আখের রস-ইত্যাদি খাওয়াবেন না। ঘন ঘন গোসল করাবেন না। জনমনে আরো কুসংস্কার রয়েছে, যেমন – নাকে নস্যি দেয়া কিম্বা লতাপাতা খাওয়ানো। এসমস্ত চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। নাকে নস্যি দেয়ার ফলে অনেকে মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায় আমাদের কাছে আসেন।  জন্ডিস হওয়ার ১-২ সপ্তাহের মধ্যে যদি রোগের লক্ষণ ভালো না হয়, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।  জন্ডিস হওয়ার পর কেউ অস্থিরতা, অস্বাভাবিক আচরন করলে বা অজ্ঞান হলে, এটা মারাত্মক জরুরী অবস্থা। তাকে অনতিবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

অন্যদিকে, লিভারের দীর্ঘ  মেয়াদী প্রদাহের ফলে  যে সমস্ত রোগ হয়ে থাকে তাকে ক্রনিক হেপাটাইটিস বলে। বাংলাদেশে ক্রনিক হেপাটাইটিসের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি ভাইরাস। রোগী প্রাথমিক অবস্থায় বুঝতেই পারেন না। কখন তিনি বি অথবা সি ভাইরাসে আক্রাšত হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে কখনো কোনো কারণে রক্ত পরীক্ষা করলে হঠাৎ হেপাটাইটিস বি অথবা হেপাটাইটিস সি ভাইরাস ধরা পড়ে।

হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রমন মাসের পর মাস ধরে চলতে থাকলে আপনার লিভার ক্ষতিগ্র¯ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। প্রথম পর্যায়ে সচেতন না হলে, বোঝার কোনো উপায় নেই। লিভার ক্ষতিগ্র¯ত হলে আ¯েত আ¯েত রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-দুর্বলতা, খাওয়ার প্রতি অনীহা, শরীরের ওজন কমে যাওয়া কিম্বা জন্ডিস প্রকাশিত হওয়া। এরপরও যদি রোগী বুঝতে না পারেন, তাহলে ক্রমান্বয়ে পেটে ও শরীরের অন্যান্য অংশে পানি আসবে। এমতাবস্থায়, লিভারের অবস্থা মারাত্মক হয়ে যায় এবং লিভার সিরোসিসে রূপ নেয়। সময় থাকতে চিকিৎসা শুরু করলে হেপাটাইটিস বি ও সি  ভাইরাস জনিত লিভার সিরোসিস প্রতিরোধ করা যায়।

এবার আসা যাক লিভার ক্যান্সারের কথায়। আমাদের দেশ লিভার ক্যান্সারের মূল কারণ হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি ভাইরাস। এ দুটো ভাইরাসের সংক্রমনকে প্রতিহত করলে লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। লিভার ক্যান্সার  হওয়ার পূর্বে সিরোসিস হয় এবং এই সিরোসিস প্রতিহত করতে পারলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রাথমিক অবস্থায় খুব ছোট আকারের লিভার ক্যান্সার ধরা পড়লে তা প্রতিরোধ করা যায়। আর তা না হলে, পরবর্তীতে এটা মারাত্মক আকার ধারণ করে।

এখন আসা যাক, লিভারের অসুখের জন্যে আপনি কতটা দায়ী- বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই হেপাটাইটিস ই এবং হেপাটাইটিস এ আপনার খাদ্যাভাসের জন্যে হয়ে থাকে। যত্র তত্র বিক্রি হওয়া রা¯তার ধারের খোলা খাবার, কিম্বা আঁখের রস অথবা সরবৎ যারা খান তাদেরই এই জন্ডিস হয়। যারা শহর অঞ্চলে বসবাস করেন কিন্তু পানি না ফুটিয়ে পান করেন কিম্বা গ্রামে গঞ্জে টিউবওয়েল বিহীন স্থানে যারা ডোবা বা পুকুরের পানি পান করেন তারা হেপাটাইটিস এ বা ই ভাইরাসে আক্রাšত হতে পারেন।

অন্যদিকে, দুষিত সুঁই কিম্বা দুষিত রক্ত গ্রহণের ফলে অথবা ব্যক্তিগত ঝুঁকিপূর্ণ আচরনের ফলে হেপাটাইটিস বি এবং সি জনিত লিভার রোগ হতে পারে, তাছাড়া যত্র তত্র খোলা খাবার গ্রহণের ফলে লিভারে ফোঁড়া  (খরাবৎ অনংপবংং) হতে পারে। মদ্যপান বা এলকোহল খেয়ে যারা অভ্য¯ত বা আসক্ত তাদের লিভারের রোগ অবশ্যম্ভাবী। যে কোনো ধরনের নেশা করলে লিভার আক্রান্ত হবেই।

এখানে উল্লেখ করতে চাই, জনগণের অনেক সংশয় রয়েছে লিভারের কঠিন রোগের চিকিৎসা কি বাংলাদেশে হবে?

আমি নির্দ্বিধায় বলতে চাই এবং সবাইকে জানাতে চাই, বাংলাদেশে বর্তমানে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগ নির্ণয়, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক সবই আছেন। অযথা হয়রানি হবেন না।

লিভার রোগ থেকে আপনি কিভাবে বাঁচতে পারেন এবার সে সম্পর্কে আলোকপাত করি ঃ

আমাদের দেশে যে সম¯ত লিভার রোগ হয় তারা বেশীরভাগই প্রতিরোধযোগ্য যেমন ধরুন হেপাটাইটিস এ এবং ই যেখানে সেখানে খোলা খাবার গ্রহণের অভ্যাস ত্যাগ করলেই এই দুটো রোগ হবে না।

হেপাটাইটিস এ  রোগের টিকা এখন আমাদের দেশে পাওয়া যায়। তাই শিশুদের হেপাটাইটিস এ টিকা দিতে ভুলবেন না। মরণ ঘাতী রোগ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের টীকা সর্বত্র পাওয়া যায়। তাই সকল বয়সের মানুষের এই টীকা অবশ্যই নেয়া উচিত। পরিবারের কোন সদস্যের হেপাটাইটিস বি হলে অন্যান্য সকলকে এর প্রতিষেধক টীকা নেওয়া জরুরী।

হেপাটাইটিস সি এর প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার হয় নাই। তাই সাবধানতাই বর্তমানে এই রোগ থেকে বাচার উপায়।

রক্ত গ্রহণের পূর্বে পরীক্ষা করে নিতে হবে হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি মুক্ত কিনা। ইনজেকশন নেওয়ার সময় দুষিত সুঁই ব্যবহার করবেন না। সকল ঝুঁকিপূর্ণ ও অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক বা আচরণ পরিহার করুন। লিভার সুস্থ রাখতে আপনার সচেতনতাই হতে পারে অন্যতম পন্থা।

পরিশেষে, আপনাদের সুস্বাস্থ্য আমাদের কাম্য।